মেরান বাদশা
========
সম্মানিত পাঠক,মেরান বাদশা রঙ্গো করছেন, ত্রুটিতে মার্জনা করবেন।
সিলেট, বাংলাদেশের একটি প্রাচীন জেলা । আলীনগর, সিলেটের একটি প্রসিদ্ধ শহর। সেই আলীনগর শহরের, উত্তর প্রদেশে এক শিশুর জন্ম হয়। সাধারণ শিশু তিনি নন। অনেক গুণের অধিকারী হন এই শিশু। সুন্দর দুটো চোখ। চমৎকার দেহের গড়ন দেখতে অনেকটা নিগ্রোদের মত, শান্ত ও ধীর স্থির। যে শিশুর জন্মে তোয়েল নগর ধন্য,তোয়েল নগর সম্পর্কে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে । এই অসামান্য শিশু পরে সৌদি আরব সহ সারা তোয়েলনগর জোড়ে মেরান বাদশা নামে পরিচিত হন। তিনি জ্ঞান সাধনার দ্বারা তার প্রজাদের জন্য অনেক জ্ঞান গর্ব পুস্তক লিখেছেন। বাদশার পুরো নাম মেরান বিন আরমান । পিতার নাম আরমান বিন হাসমত । পিতা হযরত হাসমত -এর বংশধর। তাঁর মাতা ছিলেন মৌওলানা হযরত হাসমত আলী -র বংশধর। পিতা ও মাতার দিক দিয়ে তিনি মস্ত বড়ো বংশে জন্মগ্রহণ করেন। মেধা ও চারিত্রিক গুণাবলী দিয়ে তিনি বংশের সুনাম বজায় রেখেছিলেন। মেরান বাদশার পরিবারে ছিল অর্থের প্রাচুর্য। ভোগ-সামগ্রী সব ছিল তার হাতের মুঠোয়। তার দোকান ছিল সাগরতুল্য; তাতে স্বর্ণ-রূপার স্তুপ ছিল। তার বাড়ি ছিল স্বর্গ-তুল্য; নহর সমূহ প্রবাহিত হত যার তলদেশ দিয়ে। ডাগর নয়না ৫০টি হুর দিয়ে যা শোভিত । কিন্তু এত কিছুর মাঝেও মেরান বাদশা জীবনের স্বাদ ও সজীবতা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। হৃদয়ের তৃপ্তি ও পরিতৃপ্তিতো স্বপ্নমাত্র, এরই মধ্যে একদিন বাদশা তার চাচার প্রাসাদ পশ্চিম প্রদেশে বেড়াতে গেলে হাতে করে নিলেন তিন প্যাকেট পাউন্টের বিস্কুট , তা চাচীমার হাতে তুলে দেওয়ার সময়, দেখতে পেলেন এক অসম্ভব সুন্দরীকে । যে কল্পনার তুলিতে আঁকা সুন্দরের চেয়ে ও অধিক সুন্দর ও মধুর ছিল। টানা টানা নীলাভ চোখ দুটোতে ছিল তার মায়াভী আকর্ষণ। চেহারায় ছিল তার শিশির ভেজা পাহাড়ী পদ্মফূলের স্নিগ্ধতা ও পবিত্রতা।
একপলক দেখেই মেরান বাদশা তার প্রেমের জালে আটকে পড়েন । এত দিনে বাদশার যৌবন সাগরে উথলা টেউ উঠল। তৃপ্তির আনন্দে প্লাবিত হলো তার হৃদয়। সেই সুন্দরী আর কেউ নয় মেরান বাদশার চাচাত বোন রূপবান । বাদশার হৃদমহল সর্বক্ষণ তাকে নিয়েই ব্যস্ত থাকে। তার ভালোবাসার অথৈ সাগরে ডুবে থাকে। কিছু সময়ের জন্য বাদশা রাজ্যে যান এতেও তার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়। ভালোবাসার অনিরুদ্ধ টানে আবার দ্রুত ফিরে আসে প্রিয়তমার আঙ্গিনায়।
==========================================
সম্মানিত পাঠক বাকি টুকু পরবর্তী পোষ্টে পাঠ করার অনুরোধ রইলো।
========
সম্মানিত পাঠক,মেরান বাদশা রঙ্গো করছেন, ত্রুটিতে মার্জনা করবেন।
সিলেট, বাংলাদেশের একটি প্রাচীন জেলা । আলীনগর, সিলেটের একটি প্রসিদ্ধ শহর। সেই আলীনগর শহরের, উত্তর প্রদেশে এক শিশুর জন্ম হয়। সাধারণ শিশু তিনি নন। অনেক গুণের অধিকারী হন এই শিশু। সুন্দর দুটো চোখ। চমৎকার দেহের গড়ন দেখতে অনেকটা নিগ্রোদের মত, শান্ত ও ধীর স্থির। যে শিশুর জন্মে তোয়েল নগর ধন্য,তোয়েল নগর সম্পর্কে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে । এই অসামান্য শিশু পরে সৌদি আরব সহ সারা তোয়েলনগর জোড়ে মেরান বাদশা নামে পরিচিত হন। তিনি জ্ঞান সাধনার দ্বারা তার প্রজাদের জন্য অনেক জ্ঞান গর্ব পুস্তক লিখেছেন। বাদশার পুরো নাম মেরান বিন আরমান । পিতার নাম আরমান বিন হাসমত । পিতা হযরত হাসমত -এর বংশধর। তাঁর মাতা ছিলেন মৌওলানা হযরত হাসমত আলী -র বংশধর। পিতা ও মাতার দিক দিয়ে তিনি মস্ত বড়ো বংশে জন্মগ্রহণ করেন। মেধা ও চারিত্রিক গুণাবলী দিয়ে তিনি বংশের সুনাম বজায় রেখেছিলেন। মেরান বাদশার পরিবারে ছিল অর্থের প্রাচুর্য। ভোগ-সামগ্রী সব ছিল তার হাতের মুঠোয়। তার দোকান ছিল সাগরতুল্য; তাতে স্বর্ণ-রূপার স্তুপ ছিল। তার বাড়ি ছিল স্বর্গ-তুল্য; নহর সমূহ প্রবাহিত হত যার তলদেশ দিয়ে। ডাগর নয়না ৫০টি হুর দিয়ে যা শোভিত । কিন্তু এত কিছুর মাঝেও মেরান বাদশা জীবনের স্বাদ ও সজীবতা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। হৃদয়ের তৃপ্তি ও পরিতৃপ্তিতো স্বপ্নমাত্র, এরই মধ্যে একদিন বাদশা তার চাচার প্রাসাদ পশ্চিম প্রদেশে বেড়াতে গেলে হাতে করে নিলেন তিন প্যাকেট পাউন্টের বিস্কুট , তা চাচীমার হাতে তুলে দেওয়ার সময়, দেখতে পেলেন এক অসম্ভব সুন্দরীকে । যে কল্পনার তুলিতে আঁকা সুন্দরের চেয়ে ও অধিক সুন্দর ও মধুর ছিল। টানা টানা নীলাভ চোখ দুটোতে ছিল তার মায়াভী আকর্ষণ। চেহারায় ছিল তার শিশির ভেজা পাহাড়ী পদ্মফূলের স্নিগ্ধতা ও পবিত্রতা।
একপলক দেখেই মেরান বাদশা তার প্রেমের জালে আটকে পড়েন । এত দিনে বাদশার যৌবন সাগরে উথলা টেউ উঠল। তৃপ্তির আনন্দে প্লাবিত হলো তার হৃদয়। সেই সুন্দরী আর কেউ নয় মেরান বাদশার চাচাত বোন রূপবান । বাদশার হৃদমহল সর্বক্ষণ তাকে নিয়েই ব্যস্ত থাকে। তার ভালোবাসার অথৈ সাগরে ডুবে থাকে। কিছু সময়ের জন্য বাদশা রাজ্যে যান এতেও তার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়। ভালোবাসার অনিরুদ্ধ টানে আবার দ্রুত ফিরে আসে প্রিয়তমার আঙ্গিনায়।
==========================================
সম্মানিত পাঠক বাকি টুকু পরবর্তী পোষ্টে পাঠ করার অনুরোধ রইলো।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন